রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ইং, বাংলা ১৬, ফাল্গুন ১৪২৭
  • সাঈদ হোসেন সজীব
  • ১৫৯৪০৪৭৫৬২

এন্ড্রু কিশোর আর নেই

এন্ড্রু কিশোর আর নেই

না ফেরার দেশে চলে গেলেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর। তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।

সোমবার সন্ধ্যায় ৭টা ১৩ মিনিটের দিকে রাজশাহী মহানগরীর মহিষবাথান এলাকায় তার বোন ডা. শিখা বিশ্বাসের বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

দীর্ঘদিন ধরে ব্লাড ক্যান্সারে ভুগছিলেন আটবারের চলচ্চিত্র পুরষ্কারপ্রাপ্ত এই বরেন্য শিল্পী।

সিঙ্গাপুর থেকে চিকিৎসা শেষে গত ১১ জুন রাতে বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফেরেন তিনি।

এরপর থেকে রাজশাহীতে বোনের বাসায় থাকছিলেন। তার দেখভাল করছিলেন বোনজামাই চিকিৎসক ডা. প্যাট্রিক বিপুল বিশ্বাস।

নন-হজকিন লিম্ফোমা নামক ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত কিংবদন্তি এই গায়ক। তবুও ক্যানসার নির্মূল হয়নি প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোরের। চিকিৎসক হাল ছেড়ে দেওয়ায় ক্যান্সার নিয়েই ফিরতে হয়েছে দেশে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি রাজশাহীতে ছিলেন। রবিবার থেকে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। সোমবার বিকালে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে নেওয়া হয় আইসিইউতে। সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে তিনি জীবনের বাকি গল্প না শুনিয়ে চলে যান।

রাজশাহী নগরীর মহিষবাথান এলাকায় বোন ডা. শিখা বিশ্বাস ও বোনজামাই ডা. ডা. প্যাটরিক বিপুল বিশ্বাসের বাড়িতেই ছিলেন এন্ড্রু কিশোর। ডা. প্যাটরিক বিপুল বিশ্বাস জানান, রবিবার এন্ড্রু কিশোরের শারীরিক অবস্থা কিছুটা খারাপ হয়। সোমবার আরও অবনতি হলে বিকাল ৪টার দিকে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়।

১৯৭৭ সালে এন্ড্রু কিশোর আলম খানের সুরে মেইল ট্রেন চলচ্চিত্রে অচিনপুরের রাজকুমারী নেই যে তার কেউ গানের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক যাত্রা শুরু করেন। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।

তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে-জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প,হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস,ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে,আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি,আমার বুকের মধ্যেখানে,আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন শুনেছিলাম গান,ভেঙেছে পিঞ্জর মেলেছে ডানা,সবাই তো ভালোবাসা চায়,পড়ে না চোখের পলক,পদ্মপাতার পানি,ওগো বিদেশিনী,তুমি মোর জীবনের ভাবনা,আমি চিরকাল প্রেমের কাঙ্গালরভৃতি।

ট্যাগস:


এ জাতীয় আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়