মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ ২০২১ ইং, বাংলা ২৫, ফাল্গুন ১৪২৭
  • ঢাকা টাইমস নিউজ ডেস্ক
  • ১৫৯৩৫৮১২৯১

ওয়ারী লকডাউন শনিবার থেকে, থাকবে ২১ দিন

ওয়ারী লকডাউন শনিবার থেকে, থাকবে ২১ দিন

ওয়ারী শনিবার থেকে লকডাউন ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)

মহামারী করোনাভাইরাস সংক্রমণের লাগাম টেনে ধরতেই রাজধানীর ওয়ারীর অংশ বিশেষে আগামী শনিবার থেকে লকডাউন ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।

ঐদিন ভোর ৬টা থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত ২১ দিন এ লকডাউন কার্যকর থাকবে বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার গুলিস্তানের নগরভবনে লকডাউন বিষয়ক কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বিতীয় সভা শেষে এক ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন ডিএসসিসির মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ ইমদাদুল হক, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. শরীফ আহমেদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর বদরুল আমিন বিইউপি সহ প্রমুখ।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরো বলা হয়, লকডাউন চলাকালে ওয়ারী এলাকায় শুধু ওষুধের দোকানগুলো খোলা থাকবে। এলাকায় সার্বিকভাবে সবকিছুই বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

 

রেড জোন ঘোষিত ওয়ারীর দরিদ্র বাসিন্দাদের সুবিধার্থে ত্রাণ বা নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবার জন্য ভ্যানসার্ভিস-সহ অন্যান্য সেবার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হবে। আরও বলা হয়, পুরান ঢাকার ওয়ারীর ৮টি সড়কে প্রাথমিকভাবে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।



নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সমন্বয় করে সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে। এ ছাড়া পূর্ব রাজাবাজারের পরীক্ষামূলক লকডাউনের অভিজ্ঞতাও কাজে লাগানো হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএসসিসি মেয়র বলেন, ওয়ারী এলাকায় চলাচলের জন্য দুটি সড়ক খোলা রেখে বাকি সব সড়ক বন্ধ করে দেয়া হবে।

এগুলোর মধ্যে রয়েছে- (আউটার রোড) টিপু সুলতান রোড, জাহাঙ্গীর রোড, ঢাকা-সিলেট হাইওয়ে (জয়কালী মন্দির থেকে বলধা গার্ডেন) এবং (ইনার রোড) লালমিনি রোড, হরে রোড, ওয়ার রোড, রানকিন রোড এবং নওয়াব রোড।


সেখানে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থাকবে। নমুনা সংগ্রহের বুথ থাকবে এবং সিটি কর্পোরেশনের মহানগর জেনারেল হাসপাতালে আক্রান্তদের জন্য আইসোলেশন কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

কোভিড ও নন-কোভিড সব রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা নেয়া হবে। আরেক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ওয়ারী এলাকায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ৪৬ জন বাসিন্দা কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া বহুসংখ্যক মানুষের আক্রান্ত হওয়ার ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদফতরের আশঙ্কা রয়েছে।

এ লকডাউন কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে ওই এলাকার কোভিড-১৯-এর সংক্রমণ ঊর্ধ্বগতির লাগাম টেনে ধরা হবে। এ লকাডউন উপলক্ষে ওই এলাকার বাসিন্দাদের সচেতন করতে বিভিন্নভাবে কার্যক্রম হাতে নেয়া হবে। আর তিন দিন সময় এজন্যই নেয়া হয়েছে, যাতে ওই এলাকার বাসিন্দারাও মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে পারেন।

তাছাড়া ডিএসসিসি প্রস্তুত থাকলেও পুলিশ, স্বাস্থ্য বিভাগ, স্বশস্ত্র বাহিনী-সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগেরও প্রস্তুতিরও একটি বিষয় রয়েছে। সে জন্য আমরা তিন দিন সময় নিয়েছি। আশা করি, এটায় কোনো সমস্যা নেই। এখন আমাদের প্রয়োজন হল লকডাউন কার্যকর করা।

ট্যাগস:


এ জাতীয় আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়