মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১ ইং, বাংলা ৪, জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮
  • ঢাকা টাইমস নিউজ ডেস্ক
  • ১৫৯১৭৭৪১৮৬

কলকারখানায় স্বাস্থ্য সুরক্ষার নির্দেশিকা চূড়ান্ত

কলকারখানায় স্বাস্থ্য সুরক্ষার নির্দেশিকা চূড়ান্ত

ছবি: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ

কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা নির্দেশিকা’র চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জাতীয় শিল্প, স্বাস্থ্য ও সেফটি কাউন্সিল।

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের সভাপতিত্বে গতকাল সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় শিল্প, স্বাস্থ্য ও সেফটি কাউন্সিলের নবম সভায় এ স্বাস্থ্য সুরক্ষা নির্দেশিকা খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।

সভাপতির বক্তৃতায় শ্রম শ্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনাকালে মহামারীর সময়ে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে কারখানা চালু রাখা যেমন জরুরি, তেমনি শ্রমিক-মালিকসহ সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি অত্যাধিক গুরুত্বপূর্ণ। তিনি স্বাস্থ্য সুরক্ষা নির্দেশিকা মেনে কারখানা চালানোর নির্দেশ দেন। বৈশ্বিক এ মহামারীর সময়ে মালিকদের আরো মানবিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলওর সহযোগিতায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর স্বাস্থ্য-সুরক্ষা নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সভায় কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক এবং এ কমিটির সদস্য সচিব শিবনাথ রায় করোনাভাইরাস দুর্যোগকালীন শ্রমিকদের সুরক্ষায় গৃহীত পদক্ষেপ গ্রহন এবং এ নির্দেশিকা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। পরে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক উপ-মহাপরিদর্শক (স্বাস্থ্য) মো. মতিউর রহমান স্বাস্থ্য সুরক্ষা নির্দেশিকার খুঁটিনাটি উপস্থাপন করেন। কমিটির সদস্যরা নির্দেশিকা চূড়ান্তকরণে নানা মতামত তুলে ধরেন।

এ সময় আরও জানানো হয়, প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক সব খাত এমনকি যেসব কারখানা শ্রম আইন মেনে চলে না তাদেরও এ নির্দেশিকা কাজে লাগবে। মালিকরা কল-কারখানায় স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কর্মপরিকল্পনা করলে এ নির্দেশিকা পরিপূর্ণ গাইডলাইন হিসেবে কাজ করবে। কারখানা পর্যায়ে কীভাবে কাদের দিয়ে এটি বাস্তবায়ন করা হবে তাও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে।

আলোচনা সভায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কেএম আব্দুস সালাম, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, শ্রম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (শ্রম) ড. রেজাউল হক, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব অনল কুমার দাস, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক একেএম মিজানুর রহমান, আইএলও বাংলাদেশের কর্মসূচি সমন্বয়ক মুনিরা সুলতানা, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি ফজলুল হক মন্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


এ জাতীয় আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়